শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রমজানসহ নানা কারণে পাঠদান ঘাটতি পোষাতে শনিবারও স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে জ্বালানি সংকট, যানজট এবং হামের প্রাদুর্ভাবের কথাও বিবেচনায় রেখেছে সরকার। সবদিক বিবেচনায় রেখে এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
তিনি বলেন, একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ও অভিভাবক আংশিক অনলাইন শিক্ষার পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা চালু করা হলে শিক্ষার্থীরা
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে স্কুল পর্যায়ে এ পদ্ধতি চালুর বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও কলেজ পর্যায়েও তা প্রযোজ্য হতে পারে কী না, সে বিষয়েও আলোচনা চলছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আপাতত ভিন্ন ব্যবস্থাপনা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
তিনি বলেন, বিশেষ করে মহানগরীগুলোতে ট্রাফিক জট, জ্বালানি সংকট এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় বিকল্প ব্যবস্থাও ভাবা হচ্ছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিস চালু, বৈদ্যুতিক বাস, মেট্রো ও সৌরশক্তিচালিত পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
Leave a Reply